প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ১৫.১০.২০২৬ ৯:২৬ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)

দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, উৎপাদিত খাবার নিরাপদ ও পুষ্টিকর অবস্থায় মানুষের কাছে পৌছানো এবং খাবারের অপচয় রোধ করা। এ কারণে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরবরাহে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আজ ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। জাতি সংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) উদ্যোগে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘ইনোভেট টুডে, নারিশ টুমরো। খামার থেকে দুধ সংগ্রহের পর পরিচ্ছন্নতা, সংরক্ষণ, পরিবহন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো দুধের গুণমানের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে দুধের পুষ্টিমান ও কোয়ালিটি ধরে রাখতে উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে পৌছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াতেই সতর্ক দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।
তাই এই ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুধ সংরক্ষণে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিগুলোর একটি হলো- আলট্রা-হাই টেম্পারেচার বা ইউএইচটি প্রক্রিয়া। এতে দুধকে অন্তত ১৩৫ ডিগৃ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য গরম করে দ্রুত ঠান্ডা করা হয়। এর মাধ্যমে দুধকে জীবাণু মুক্ত করা যায় এবং দুধকে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের উপযোগী করা সম্ভব হয়। প্রেস রিলিজ