প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
ছবি: যাযাদিবিশ্ব হার্ট দিবস ও পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আলোচনা ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো রোগ নির্ণয় ও দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। অনুষ্ঠানে পপুলার কার্ডিওলজি বিভাগে এক বছরে ৩২০টি প্রাইমারি পিসিআই (Primary PCI) সফলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত, এমপি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পপুলার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (NICVD) পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল ওয়াদুদ চৌধুরী, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির কনভেনার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং সদস্যসচিব ডা. এ এম কে খায়র উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।
অনুষ্ঠানে হৃদরোগের ঝুঁকি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং জরুরি হৃদরোগ চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, সংকটাপন্ন হৃদরোগীদের জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রাইমারি পিসিআই সেবা গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে পপুলার গ্রুপের চলমান কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় আরও অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য তিনি পপুলার গ্রুপের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জরুরি হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি দেশব্যাপী সমন্বিত অ্যাম্বুলেন্স সেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, আধুনিক ও সময়োপযোগী চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রথম বছরের কার্যক্রমকে দেশের হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।