শিক্ষার্থীদের বাসে তেল জালিয়াতির অভিযোগ

মুসলিম ইবনে রবি, জাবিপ্রবি

ন্যাশনাল

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নিয়োজিত বাসে জ্বালানি তেল ক্রয়ে ব্যাপক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

2026-10-10T00:00:00+06:00
2026-10-09T21:16:11+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
ন্যাশনাল
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষার্থীদের বাসে তেল জালিয়াতির অভিযোগ
মুসলিম ইবনে রবি, জাবিপ্রবি
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  আপডেট: ০৯.১০.২০২৬ ৯:১৬ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নিয়োজিত বাসে জ্বালানি তেল ক্রয়ে ব্যাপক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ইউনিভার্সিটির ৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর নিয়মিত যাতায়াতের মূল ভরসা ইউনিভার্সিটি পরিবহন পুলের বাস সার্ভিস। 

তেলের স্লিপে অতিরিক্ত তেলের পরিমাণ লিখে সংশ্লিষ্ট পেট্রল পাম্প থেকে তেল না নিয়ে, সমপরিমাণ নগদ অর্থ অসাধু উপায়ে ভাগ-বাটোয়ারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি সাংবাদিকদের হাতে আসা একটি গোপন অডিও রেকর্ডিংয়ে বাসের চালক, হেলপার এবং পাম্প ম্যানেজারের যোগসাজশে চলা এই আর্থিক অনিয়মের বিবরণ উঠে এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবহন সংশ্লিষ্ট এক জন ব্যক্তি বলেন, ‘বাসে প্রতিবার তেল নেয়ার সময় বা চালানে নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে অন্তত ২০ লিটার পর্যন্ত তেল কম নিয়ে তা নথিপত্রে অতিরিক্ত হিসেবে দেখানো হতো।’

ওই কথোপকথনের তথ্যমতে, ২০ লিটার অতিরিক্ত তেলের বিপরীতে পাম্প থেকে পাওয়া যায় আনুমানিক ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত। এই অর্থের একটি অংশ স্লিপ লেখা ও ঘটনা গোপন রাখার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট সহকারীকে দেয়া হতো এবং অবশিষ্ট প্রধান অংশটি সরাসরি চালকের পকেটে যেত।

প্রাপ্ত তথ্য ও নথির হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পরিবহন পুলের চারটি সচল বাসের ক্ষেত্রে যদি এক মাসে প্রতি গাড়িতে গড়ে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লিটার করে তেল কাগজ কলমে অতিরিক্ত লিখে, বাস্তবে কম নেওয়া হয়, তবে মাসে মোট প্রায় ২০০ লিটার জ্বালানির সমপরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বাজারদরে যার আর্থিক মূল্য দাড়ায় প্রতি মাসে আনুমানিক ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে বছরে আড়াই লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত।

তেল চুরির ঘটনা প্রসঙ্গে প?রিবহন প?রিচালনা ক?মি?টির সদস?্য ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী (মেকা?নিক?াল) শামীম আহ?মেদ বলেন, ‘বড় কোনো ব্যবধান দেখলে আমরা সেগুলো যাচাই করি। 

এদিকে গত ২৪ আগস্ট জালিয়াতির ঘটনাটি সরেজমিন প্রত্যক্ষ করেছেন এবং তাৎক্ষণিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন ইউনিভার্সিটিরই এক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী। তিনি ঘটনার বর্ণনায় এবং ছবি তোলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘১টার বাসটি পাম্পে তেল নিতে থামলে আমি কাছেই অবস্থান করছিলাম। ডিজিটাল মিটারে স্পষ্ট ১৩৪ লিটার উঠতে দেখলেও পরে রিসিপ্ট এবং ভাউচারে ১৫৫ লিটার লেখার বিষয়টি লক্ষ্য করি। সঙ্গে সঙ্গে পাম্পের মিটার রিডিং ভাউচারের ছবি তুলে রাখি, যাতে পরবর্তীতে প্রমাণ মুছে ফেলা না যায়।’
ন্যাশনাল- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত