প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ১১.১০.২০২৬ ১০:২৭ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজটি এখন হিতে বিপরীত হয়ে দাড়িয়েছে। প্রকৃত সীমানা বাদ দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে প্রাচীর নির্মাণ এবং গাছের গোড়া থেকে মাটি সরিয়ে নেয়ায় দীর্ঘ দুই যুগের প্রায় ২৫টি মেহগনি গাছ চরম ঝুকিতে রয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার একটি গাছ ভেঙে পড়েছে। প্রকৃতি ধ্বংসকারী এ কাজের নিন্দা জানিয়েছে পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন জামালপুর শাখা।
জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার সময় শত একরের বেশি জমি থাকলেও কোনো দৃশ্যমান সীমানা প্রাচীর না থাকায় দীর্ঘ দিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী ও দখলদারদের গ্রাসে ছোট হয়ে এসেছে ক্যাম্পাসের আয়তন।
ঢাকার ‘মেসার্স এম এ ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি দেয়া হয়। তবে কাগজে-কলমে ঢাকার ঠিকাদারের নাম থাকলেও বাস্তবে কাজটি পরিচালনা করছেন জামালপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম। তবে সুরক্ষার এই প্রকল্পই এখন কলেজের সৌন্দর্য ধ্বংসের বড় কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে অভিযোগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের।
কাজটি পরিচালনা করা জামালপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম বলেন, ‘গাছের কোনো ক্ষতি হয়নি। যে গাছগুলোর মাটি সরে গিয়েছিল সেই গাছগুলোকে বাশ দিয়ে ঠেকা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে জামালপুর শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়িতা অধিকারী বলেন, ‘এখানে কাজটি করার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল তাই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে একটি গাছ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা চাই না যে এভাবে আর কোনো গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হোক।’