প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম আপডেট: ১৪.০৯.২০২৬ ২:৪৯ পিএম
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট, ভেপ ও মোবাইল ডিসপ্লে আটক রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪টি ভেপ ও ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। দুবাই, মালয়েশিয়া ও চীনের গুয়াংজু থেকে আসা তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়। আটক পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৩ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আসা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেন।
এ সময় দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের EK584 ফ্লাইটের যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় সন্দেহের আওতায় আসেন। পরে তার ব্যাগেজ তল্লাশি ও ইনভেন্টরি করে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়। সিগারেটগুলো জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা।
একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে আসা এয়ারএশিয়ার AK71 ফ্লাইটের যাত্রী শেপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪টি ভেপ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, চীনের গুয়াংজু থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের BS326 ফ্লাইটের দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকেও বিপুল পরিমাণ মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। ওই ফ্লাইটের যাত্রী কে এম তোফায়েল আহমেদের কাছ থেকে ৯৮টি এবং একই ফ্লাইটের যাত্রী শামিমা আক্তারের কাছ থেকে আরও ৪৬টি মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করা হয়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, পৃথক এসব অভিযানে সব মিলিয়ে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪টি ভেপ এবং ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়েছে। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।
একই দিনে তিনটি আন্তর্জাতিক রুট থেকে আসা যাত্রীদের ব্যাগেজে চোরাচালানি পণ্য পাওয়ার ঘটনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব পণ্য আনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।