এবারের দুর্গা পূজা : বাংলাদেশে সম্প্রীতির অনন্য রেকর্ড

মোস্তফা কামাল

এডিটোরিয়াল

বিজয়া দশমীতে ভক্তদের মন ভরা শ্রদ্ধার্ঘ্য ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এবার শারদীয় দুর্গোৎসব। ঢাকের বাদ্য থেকে শঙ্খধ্বনি,

2026-10-23T00:00:00+06:00
2026-10-23T17:08:51+06:00
রোববার ● ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৯ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
এডিটোরিয়াল
এবারের দুর্গা পূজা : বাংলাদেশে সম্প্রীতির অনন্য রেকর্ড
মোস্তফা কামাল
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  আপডেট: ২৩.১০.২০২৬ ৫:০৮ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
মোস্তফা কামাল
বিজয়া দশমীতে ভক্তদের মন ভরা শ্রদ্ধার্ঘ্য ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এবার শারদীয় দুর্গোৎসব। ঢাকের বাদ্য থেকে শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, সিদুর খেলা, কুমারী বন্দনা পর্যন্ত কোথাও কোনো খুত বা উপাদান পায়নি কনটেন্ট কৃয়েটররা। মার খেয়েছে তাদের পূজাকেন্দ্রিক ভিউ বাণিজ্য। এবারের পূজায় দেশের মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী নাগরিকরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মণ্ডপ পাহারা দিয়েছেন। এই স্বতঃস্ফূর্ত সম্প্রীতির চিত্র প্রকাশ পাওয়ার পর নেতিবাচক এজেন্ডাধারী কোনো পক্ষই অপপ্রচার চালানোর সুযোগ পায়নি। 

সরকার ও প্রশাসনের টপ টু বটমের এটেনশনে ছিল এবারের পূজা আয়োজনে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনওরা চালিয়েছেন তদারকি। হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসন অনুদান দিয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যন্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তৎপর ছিলেন। দুর্গা পূজা উদযাপন বিষয়ক রেকর্ড গড়েছে ক্ষমতাসীন দল। বিএনপি প্রথমবারের মতো স্থায়ী কমিটির সভা ডাকে। গত ১ সেপ্টেম্বর ছিল ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। কিন্তু দুর্গা পূজার মতো সক্রিয়তা ছিল না। স্থায়ী কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় পূজায় সর্বাত্মক সহযোগিতার। এতে সার্বজনীনতা পেল সনাতন ধর্মীয় উৎসব। এতে ভয়কে জয় করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদও দিয়েছেন অভয়। বলেছেন সংবিধান সংখ্যালঘু-সংখ্যাগরিষ্ঠের কথা বলে না। সংবিধান মতে নাগরিক মাত্রই সমান অধিকারের পাত্র। সমানাধিকার নিয়েই মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ বসবাস করবে। সাজ-সজ্জাতেও পুরনো রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশ। সর্বপরিচিত ঢাকেশ্বরী মন্দিরে খরচ দেড় কোটি ছাড়িয়ে গেছে। সাজ-সজ্জা সর্বোচ্চ নজর কেড়েছে বনানীর প্রতিমা। 

আনন্দঘন ও উৎসবমুখর বলতে যা বোঝায় তার সব সূচকেই সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, দেবী দুর্গার আগমন ও পূজা মূলত অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির বিজয়ের এক মহাকাব্যিক রূপক। দেবী মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে গেলেও ভক্তদের বিশ্বাস, ধরণিকে কৃপা করতে এবং শান্তি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে দেবী আগামী বছর আবারো ফিরে আসবেন নবরূপে। এবারের গোটা চিত্রই ভিন্ন। পূজারি ও ভক্তরা ধূপ, দীপ, বেলপাতা এবং নানাবিধ মাঙ্গলিক উপচারে দেবীর চরণে শেষ অর্ঘ্য নিবেদন করেছেন।  একে অপরের কপাল ও মুখে সিদুর মাখিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, রক্তিম সিদুরে রাঙা মুখ, হাসি আর বিদায়ের অশ্রুতে বিভিন্ন মন্দির প্রাঙ্গণে সে কি  আবেগঘন পরিবেশ। কেবল রাজধানী ঢাকা বিভাগীয়, জেলা শহর-গ্রাম নয়, এ আবহ সীমান্তেও। কাটাতারের বেড়া দুই দেশকে আলাদা করে রাখলেও আত্মীয়তার বন্ধন, নাড়ির টান আর বাঙালির চিরচেনা ভালোবাসায় সেই বিভাজন থাকেনি। শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তসহ বিভিন্ন শূন্যরেখায় জমে ওঠা দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা যারা দেখেছেন, তাদের উপলব্ধি অন্যরকম। উৎসব আয়োজনগুলোতে আনন্দ ভাগাভাগি করতে সীমান্তের দুই পাশে ভিড় করে দর্শনার্থীরা। কেউ এসেছে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে, কেউ বা দূর থেকে প্রিয়জনকে একনজর দেখতে। আবার কেউ সীমান্তের শূন্যরেখায় দাড়িয়ে ছবি তুলে ধরে রাখছে স্মরণীয় মুহূর্ত। কেউ কেউ বৈধ পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করে স্বজনদের সঙ্গে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন।   

এই বছর দেশব্যাপী ৩৩,৮৫১টি পূজা মণ্ডপে দুর্গা পূজা উদযাপন হয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানী ঢাকা মহানগরীতেই ২৫৮টি। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা কালী মন্দির, বনানী দুর্গা পূজা মণ্ডপ, জগন্নাথ হল এবং পুরান ঢাকার মণ্ডপগুলোতে এমন উপচেপড়া ভিড় আগে কখনো দেখা যায়নি। পূজা উদযাপনকে সহজ ও সুন্দর করতে সরকারের পক্ষ থেকে মণ্ডপগুলোর জন্য পাচ কোটি টাকা এবং বিপুল পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকার প্রধান ঢাকার বাইরে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এটি তারেক রহমানের দৃষ্টান্ত। দুর্গা পূজার মহানবমীতে ঢাকার বাইরে তিনটি বিভাগে তার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন পূজাকে করেছে আরো সার্বজনীন। এর আগে সাধারণত কোনো প্রধান মন্ত্রী ঢাকার বাইরে গিয়ে এভাবে মণ্ডপ পরিদর্শনের রেকর্ড নেই। ২০ অক্টোবর সকালে তিনি রংপুরের ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যান এবং ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর যান  রাজশাহী। সেখানকার ধর্মসভা মন্দিরের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। একই দিন সন্ধ্যায় তিনি চট্টগ্রামে পৌছান এবং নগরের রহমতগঞ্জের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। ঢাকার বাইরে যাওয়ার আগে (১৮ অক্টোবর) রাতে তিনি রাজধানীর মহাখালী ও বনানী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

একই দিনে প্রধান মন্ত্রীর ঢাকার বাইরে তিনটি বড় বিভাগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপ পরিদর্শনের ঘটনা সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন সংগঠনের কাছে ‘ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত’। মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষজনও মণ্ডপগুলোতে এসে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, যা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পূজাকে ঘিরে মণ্ডপ সাজানো, প্রতিমা তৈরি, নতুন পোশাক কেনা, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা এবং বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয়ার আয়োজন চলেছে। শহর থেকে গ্রাম- সবখানেই তৈরি হয় উৎসব পরিবেশ। এ ছাড়া সারা দেশের মন্দিরগুলোতে ছিল প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ উপহার। আগে শারদোৎসবে ছুটি ছিল এক দিন। ২০২৬-এ তা তিন দিন করা হয়েছে। সঙ্গে শুক্র-শনি সরকারি ছুটি। ফলে টানা পাচ দিন খুশির আমেজ। বাংলাদেশে প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল। এতে সব ধর্মের মানুষই ছুটিটি উপভোগ করেছে। শহর থেকে গ্রাম অভিমুখে যাত্রার ঢল নামে। ব্যস্ত জীবনে এই উৎসব মানুষকে আপনজনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ দিয়েছে। আশা করা যায়, সম্পর্কের বন্ধন আরো দৃঢ় করেছে। দুর্গা পূজার অন্যতম প্রধান শিক্ষা হলো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে পরাজিত করে অন্যায়ের শক্তিকে দমন করেন। এই কাহিনী আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অন্যায় যত শক্তিশালীই হোক, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাড়ানো জরুরি। বর্তমান সমাজেও এই শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

দুর্গা পূজা আনন্দময় করতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছিল অত্যন্ত জরুরি। যথারীতি তা করা হয়েছে। সাফল্যও মিলেছে। উৎসবের আনন্দ তখনই অর্থবহ হয়, যখন সমাজের সব শ্রেণির মানুষ সেই আনন্দের অংশ হতে পারেন। এবারের পূজা সেটার একটি দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশে দুর্গা পূজা উদযাপনের পরিবেশে সন্তোষ জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীতে কয়েকটি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে এমন অনুভূতি জানিয়েছেন তিনি। তার আশা শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করবে। এবার বাংলাদেশে অত্যন্ত বর্ণিল পরিবেশে শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পূজায় তিনি হাই কমিশনার হিসেবে আসেননি, বরং পরিবারের সদস্য হিসেবে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে এসেছেন। এ সময় বাংলাদেশে দুর্গা পূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও ভীষণ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ত্রিবেদী। রাজশাহী অঞ্চলে কয়েকটি মণ্ডপ পরিদর্শন ও প্রদীপ প্রজ্বলন করতে গিয়ে প্রায় এমনই প্রতিক্রিয়া  ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমারের। এখানে তুলনা না হোক স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন এসে যায়, হিন্দু প্রধান ইনডিয়ায় সংখ্যালঘুদের পূজা কেমন আনন্দমুখর হয়েছে? কলকাতার পূজা উৎসব জগদ্বিখ্যাত। কিন্তু, সেখানে এবারের পূজা উৎসব ছিল বিষাদে ভরা। গিরিশ পার্কের চোরবাগানের উৎসবে ১৯টি করুণ মৃত্যু। ইনডিয়ার প্রায় প্রতিটি রাজ্যে পূজাকে বরণের প্রথা। মুম্বাইয়ের তারকা-প্রধান পূজা মণ্ডপগুলো ছড়ায় রোশানাই। কিন্তু জেএনজি বা সিজিপির আন্দোলনে উৎসব উধাও। প্রধান নেত্রী নোহা বোরা আপাদমস্তক পূজা প্রেমিক। উত্তরাখণ্ডের তরুণী বেড়ে উঠেছে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে। ধূপ-ধোয়ায় পূজা-অর্চনায় একদা অদম্য ছিল। কিন্তু এবার কখনো যন্তর-মন্তর আন্দোলনে,  কখনো জেলে। পূজার আনন্দ নেই মুখ্য মন্ত্রী-খ্যাত মমতা ব্যানার্জির, শুভেন্দু অধিকারীরও। 

ইনডিয়ার এসব বেদনার কাব্যের বিপরীতে পূজার সাফল্যের পূর্ণ হাসি বাংলাদেশের অবয়বে। এক সময় কলকাতায় পূজা উপভোগে আসতেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও অতিথি হতেন। কিন্তু সিইসি গণেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে টালমাটাল পরিস্থিতি। ১৩ কোটি ভোটারকে নিষিদ্ধ করণের প্রতিবাদে ঝড়। সিজেপি, অল ইনডিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম এককাট্টা। রাজধানী দিল্লি এখন আন্দোলন-সংগ্রামে উত্তাল। ভাঙচুর, লন্ডভন্ড, বিক্ষোভ, গ্রেফতার হুলস্থূল পরিস্থিতি। এ রকম সময়েই প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন ‘বাংলাদেশ স্টাইলে’ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চলছে। আন্দোলন-নেত্রী নেহা বোরা বলেছেন ‘নমস্তে বাংলাদেশ।’ তোমাদের সব আন্দোলন আমাদের প্রধান অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, মিছিল-পথসভায় চলছে বাংলাদেশের গান। ইথুন বাবুর সুরে মৌসুমী চৌধুরীর গান। ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের- ‘দেশটা তোমার বাবার নাকি...’। 

অথচ এই সময়ে বাজানোর কথা পূজার গান। কিন্তু আন্দোলনের পদাঘাতে সেখানে পিষ্ট মহান শারদোৎসব। তৃণমূল কংগ্রেস বা টিএমসির রাজনীতি যেন বিসর্জনে। অন্যদিকে চন্দ্রোদয় ঘটনা বিতর্কিত রাজনৈতিক শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্য মন্ত্রী হলেন, পূজার মহোৎসব করবেন। কিন্তু ঝরা পাতার মাস অক্টোবরে কাদলেন। চোরবাগানের পূজা মণ্ডপে ১৯টি লাশের বিনাশী বিষাদ। বৃষ্টির তোড়ে ঢেউ হয়ে মানুষ ঢোকে মন্দিরে। রাস্তা অত্যন্ত সরু, অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি। পায়ে দলে ঢলে পড়া মানুষ। বুকের ওপরে চাপের কারণে শ্বাসরোধ।  ১৯ জন সরাসরি মৃত্যুর মিছিলে। আরো প্রায় ৪০ জন আহত, অর্ধমৃত। উৎসবের হাসিটা বাসী হলো শুভেন্দু অধিকারীর। লাশপ্রতি ২৫ লাখ টাকার অনুদান ঘোষণা। সুখবর এলো না সুদূর প্রবাসে থেকেও। কলকাতার গায়িকা ইমন চক্রবর্তী আমেরিকায় কেদেছেন। মুম্বাইয়ে রানী মুখার্জি-কাজলদের পূজাতে মন্দা। কল্লোল অগ্নিটোলা সার্বজনীন শারদোৎসব জমল না। ৪২ বছরের মিলনতীর্থ উৎসবও প্রাণ পেল না। বরং উদ্দীপনায় সোচ্চার জেন-জির  আন্দোলনের কার্যক্রম। পূজা-পার্বণকালেই বেরোলো আইএমএফের সমীক্ষা। ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে’র সর্বশেষ তথ্য। মাথাপিছু উৎপাদনে বাংলাদেশ এগিয়েছে। আর পিছয়ে পড়েছে পৃথিবীর ‘পঞ্চম ক্ষমতাধর’ ইনডিয়া। বাংলাদেশের জিডিপি দুই হাজার ৮৮৬ ইউএস ডলার। আর ইনডিয়ার দুই হাজার ৭৪৯ ইউএস ডলার। অর্থাৎ অর্জনের পাল্লায়  বাংলাদেশ।  

মোস্তফা কামাল : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অফ নিউজ, বাংলাভিশন

এডিটোরিয়াল- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত