বান্দরবান হর্টিকালচার সেন্টার % কৃষকের বাগান বরাদ্দে লুটপাটের অভিযোগ

ইলিয়াস সানি, বান্দরবান

ন্যাশনাল

বান্দরবানের বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক (ডিডি) লিটন দেবনাথের বিরুদ্ধে টিসু কালচার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকের নামে বাণিজ্যিক আনারস বাগান বরাদ্দ

2026-10-21T00:00:00+06:00
2026-10-20T22:00:13+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
ন্যাশনাল
বান্দরবান হর্টিকালচার সেন্টার % কৃষকের বাগান বরাদ্দে লুটপাটের অভিযোগ
ইলিয়াস সানি, বান্দরবান
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  (প্রিন্ট সংস্করণ)

বান্দরবানের বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক (ডিডি) লিটন দেবনাথের বিরুদ্ধে টিসু কালচার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকের নামে বাণিজ্যিক আনারস বাগান বরাদ্দ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে কৃষকের নাম ব্যবহার করা হলেও তিনি কোনো চারা কিংবা আর্থিক সহায়তা পাননি। মাঠপর্যায়ে বাগান বাস্তবায়নের পরিবর্তে নামমাত্র সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের হিসাব দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, স্থানীয় কৃষকের নামে বাণিজ্যিক আনারস বাগান বরাদ্দের তথ্য থাকলেও সংশ্লিষ্ট কৃষক সেই বরাদ্দ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন। তবে প্রকল্পের নথিপত্র, বরাদ্দের পরিমাণ, অর্থ ছাড় ও ব্যয়ের হিসাব এবং বাস্তবে বাগান স্থাপনের বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ফারুক পাগার এলাকার কৃষক বয়ঙির বমের (৫০) নামে একটি বাণিজ্যিক আনারস বাগান বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। কিন্তু ওই কৃষকের দাবি, তার নামে বরাদ্দের বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। বাগান স্থাপনের জন্য তাকে কোনো আনারসের চারা কিংবা অর্থ দেয়া হয়নি। স্থানীয় আরেক কৃষক লালজার থান বমের অভিযোগ, তাকে বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টার থেকে কয়েকটি আমের চারা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু রোপণের কিছুদিনের মধ্যেই সব চারা মারা যায়। 

অভিযোগ রয়েছে, বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের আওতায় বাণিজ্যিক আনারস বাগান স্থাপনের ক্ষেত্রে কৃষকের প্রকৃত অংশগ্রহণ ও সহায়তা নিশ্চিত না করেই কাগজে-কলমে বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে নামমাত্র সাইনবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে বলেও অভিযোগকারীদের দাবি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ দৈনিক যায়যায়দিনকে বলেন, ‘আমি সবকিছু নিয়ম মেনে কাজ করছি। আমার সব কাজ ঠিকঠাক হচ্ছে।’

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আবু নঈম সাইফুদ্দিন বলেন, ‘যদি ঘটনাটি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রাপ্য শাস্তি তিনি পাবেন।’
বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক এমএম শাহ নেয়াজ বলেন, ‘কেউ কৃষকের বরাদ্দ নিজে খেয়ে নিলে তার জবাব তিনিই দেবেন। প্রমাণ পেলে আমি আমার ওপরের মহলকে জানাব।’e
ন্যাশনাল- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত