
দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তি হয়েছে দুই হাজার ২৪৯ জন। অন্যদিকে, এ সময়ে হামের উপসর্গে পাচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১২৩ জন এবং নিশ্চিত হামে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরেই মারা গেছেন ১৩৯ জন । এছাড়া সেপ্টেম্বরে সর্বচ্চ ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে এক জন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হসপিটালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৮৯৮ জন ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হসপিটালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮ জনে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হসপিটাল ছেড়েছে দুই হাজার ২৬৮ জন। এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ১৭ হাজার ৪০০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
হামের উপসর্গে পাচ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে পাচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১২৩ জন এবং নিশ্চিত হামে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হামে ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাড়িয়েছে এক হাজার ২২৭ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে পাচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগেই তিন জন মারা গেছে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন হসপিটালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৫৬ জন রোগী এসেছে।
বিভাগ-ভিত্তিক হিসাবে, ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৬২৬ জন, রাজশাহীতে ৩০, সিলেটে ১৩৩, চট্টগ্রামে ২২৫ জন, বরিশালে ১৩৫, ময়মনসিংহে ১০৭, খুলনায় ৬০ এবং রংপুরে ৩৯ জনকে হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হসপিটালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এক লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন চিকিৎসা নিয়ে হসপিটাল ছেড়েছে।